কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের সুবিধার্থে রাতের বেলায় যুক্ত হয়েছে আলোকব্যবস্থা

বিশেষ প্রতিবেদক – নানা বৈচিত্র্য ভরা আমাদের এ বাংলাদেশ। প্রকৃতি অকৃত্রিম ভালোবাসায় এ দেশটিকে সাজিয়েছে। বাংলাদেশের অপার সৌন্দর্য পর্যটকদের হৃদয় স্পর্শ করে। বাংলার সংস্কৃতি সৃষ্টি, কালচার, ঐতিহ্য আর নিসর্গ প্রকৃতি নিঃসন্দেহে আকৃষ্ট করে পর্যটকদের।বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে প্রথমবারের মত পর্যটকদের সুবিধার্থে সমুদ্র সৈকতে রাতের বেলায় যুক্ত হয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আলোকব্যবস্থা। এর ফলে রাতের বেলায়ও সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে স্বাচ্ছন্দ্য ভোগ করছে পর্যটকেরা। সেইসাথে যুক্ত হয়েছে বিনোদনের এক নতুন মাত্রা।কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও বীচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সভাপতি মো: আলী হোসেনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে সমুদ্র সৈকত আলোকিত করণের এই ব্যবস্থার।

সুমদ্র সৈকত কক্সবাজারে নারী পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে বিশেষ পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়েছে। ‘এন্টি ইভটিজিং টিম’ নামে বিশেষ টিমটি নারী পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে কাজ করছে।

সৈকতে অনুমতি ছাড়া কোনো নারীর ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ কিংবা উত্ত্যক্ত করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে। নারীদের নিরাপত্তা দিতে এই ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু করা এন্টি ইভটিজিং টিমের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন সিনিয়র এএসপি রায়হান কাজেমী।

এ বিষয়ে রাহয়ান কাজেমী বলেন, ‘আমাদের আওতাধীন সব পর্যটন স্পটে ইভটিজিংকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হবে। এখানকার পর্যটন স্পটগুলো হবে শতভাগ নারীবান্ধব।’

জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন  বলেন, বেশীরভাগ পর্যটক দিনের বেলা সৈকতে ভ্রমণে আসে। কিন্তু অন্ধকার থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও রাতের সৈকতকে তারা দেখতে পারে না। রাতে সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য্য অপরূপ। নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় সেদিকে নজরদারী আছে।

প্রথম পর্যায়ে লাবণী বীচ পয়েন্ট থেকে সুগন্ধা বীচ পয়েন্টের বিভিন্ন স্থানে ১০টি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লাইট স্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে তা কলাতলী বীচ পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে।

পালংনিউজ টুয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।