“অ ভাই কেনে চলর”

আহসান সুমন :::

14182122_1659613151021633_648616471_n.pngচট্টগ্রামের জনপ্রিয় আঞ্চলিক ভাষা “অ-ভাই, কেনে চলর” অর্থাৎ (ও-ভাই, কিভাবে চালাচ্ছেন)। কৌতুহলী এমন একটি প্রশ্ন কমবেশী সবার মুখে মুখে শুনা যাচ্ছে এখন। কথাটির আবার বহু অর্থ বুঝায়। একেক দৃষ্টিভঙ্গি একেক রকম হতে পারে। যে যেভানে নেন। প্রশ্নটি আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও। কেউ কেউ নিজের আইডি থেকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, আবার অনেকেই এমন রহস্যময়-হাস্যকর স্ট্যাটাস নিয়ে আপত্তিও তুলছেন। তবে যে যাই বলুক-কেনে চলর কথাটি কয়েকদিন ধরে “টক অব দ্যা কক্সবাজারে” পরিনত হয়েছে।
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন বুধবার তাঁর ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন-অবাজি আজিয়া হক্সবাজারের টক অব দ্যা টাউন “ক্যানে চলর” অবাজি ইবা কি…?। ভার্সিটির সেকশন অফিসার রুহী মেহনাজ তার আইডিতে লিখেছেন- “বেস্ট উইশেস টু দোজ চাটগাঁইয়া পোলাজ, যিন মেডিত পইল্লে লুওয়াজ “ক্যানে চলর ও ভাই”। একইভাবে আফ্রিদা চৌধুরী নামে এক শিক্ষার্থী তার আইডি থেকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন-কেনে চলর? ৩, দয়া করে কেউ আমাকে ব্যাখ্যা করেন”। শুধু তাই নয়, বসে নেই সংবাদকর্মীরাও। কক্সবাজারের তরুণ সংবাদকর্মী ইমরুল কায়েস, তৌফিকুল ইসলাম লিপু, এবি ছিদ্দিক খোকন, আরফাতুল মজিদ, আরোজ ফারুক, এইচ.এম নজরুল ইসলাম, শাহেদ মিজান, ছৈয়দ আলম ও হেলাল উদ্দিনসহ অনেকেই একে অপরের ফেসবুক আইডিতে (সাংবাদিকদের জরুরী বার্তা) লেখালেখি করছিলেন হাস্যকর নানা কথা। যেটিকে পেশাগত ব্যস্ততার ফাঁকে তরুণ সংবাদকর্মীদের মধুময় বন্ধন বলছেন অনেকেই। তাছাড়া একে অপরের সাথে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও সংবাদকর্মীরা যে নিয়মিত যোগাযোগটা রক্ষা করেন সেটিও অনেকটা ধারনা করা যায় “কেনে চলর” কথা থেকে। এভাবেই চলছে-চলবেও হয়তো কিছুদিন।
প্রসঙ্গতঃ কক্সবাজারের সব শ্রেনী পেশার অনলাইন এক্টিবেটিসদের মধ্যে বেশিরভাগেরই লেখালেখির মূল বিষয় এখন “অবাজি কেনে চলর”। যা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বাড়ি বিনোদন যুগিয়েছে মনে করছেন সচেতন বোদ্ধারা।

পালংনিউজ টুয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।